Javascript must be enabled to continue!
চতুর্থ অধ্যায়: ভাষাচর্চা
View through CrossRef
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পূর্ববর্তী সময় থেকেই এ প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, নবগঠিত ভৌগোলিক সত্তার রাষ্ট্রভাষা কী হবে। এমনকি, বাংলা ভাষা লেখার জন্য আরবি বা অন্য কোনো হরফ ব্যবহার করা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ ও বিতর্ক তৈরি হয়। বায়ান্নর রক্তস্নাত কিন্তু সফল ভাষা-আন্দোলন অনেক প্রশ্নের ও বিতর্কের মীমাংসা করে দেয়। পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা স্বীকৃতি লাভ করে, বাংলা ভাষাচর্চার জন্য বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ভাষা নিয়ে গবেষণার প্রবণতা বেড়ে যায়। যদিও রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বাংলা ভাষা পাকিস্তান আমলে, এমনকি স্বাধীন বাংলাদেশ-পর্বেও যথাযথ ‘প্রায়োগিক মর্যাদা' কখনো লাভ করেনি, তবে এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক পড়াশোনার বিষয় হিসেবে যুক্ত হয়ে বাংলা ভাষা গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে
অনুসরণ করে পরে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে গত একশ বছরে একাডেমিক ঘরানায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের, আবার সাহিত্যের সূত্র ধরেও বাংলা ভাষার পঠন-পাঠন বিস্তৃতি লাভ করেছে । এ সময় অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ভাষাচর্চায় ব্রতী হয়েছেন।
Bangla Department publications — University of Dhaka
Title: চতুর্থ অধ্যায়: ভাষাচর্চা
Description:
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পূর্ববর্তী সময় থেকেই এ প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, নবগঠিত ভৌগোলিক সত্তার রাষ্ট্রভাষা কী হবে। এমনকি, বাংলা ভাষা লেখার জন্য আরবি বা অন্য কোনো হরফ ব্যবহার করা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ ও বিতর্ক তৈরি হয়। বায়ান্নর রক্তস্নাত কিন্তু সফল ভাষা-আন্দোলন অনেক প্রশ্নের ও বিতর্কের মীমাংসা করে দেয়। পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা স্বীকৃতি লাভ করে, বাংলা ভাষাচর্চার জন্য বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ভাষা নিয়ে গবেষণার প্রবণতা বেড়ে যায়। যদিও রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বাংলা ভাষা পাকিস্তান আমলে, এমনকি স্বাধীন বাংলাদেশ-পর্বেও যথাযথ ‘প্রায়োগিক মর্যাদা' কখনো লাভ করেনি, তবে এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক পড়াশোনার বিষয় হিসেবে যুক্ত হয়ে বাংলা ভাষা গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে
অনুসরণ করে পরে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে গত একশ বছরে একাডেমিক ঘরানায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের, আবার সাহিত্যের সূত্র ধরেও বাংলা ভাষার পঠন-পাঠন বিস্তৃতি লাভ করেছে । এ সময় অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ভাষাচর্চায় ব্রতী হয়েছেন।.
Related Results
সম্পাদকীয় From the Editor
সম্পাদকীয় From the Editor
সম্পাদকীয় From the Editor
বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি আজ আর কেবল একটি আঞ্চলিক বা জাতিগত চর্চার পরিসরে সীমাবদ্ধ নেই; এটি বহুভাষিক, বহুদেশিক ও বহুবিধ জ্ঞানতাত্ত্বিক আলোচনার কেন্দ্...
ঈসা আ.-এর পুনরাগমন: কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি পর্যালোচনা
ঈসা আ.-এর পুনরাগমন: কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি পর্যালোচনা
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে খ্রিষ্ট সন গণনা করা হয় ঈসা আ.-এর জন্ম তারিখ থেকে। আর সেটা মহা গ্রন্থআল কুরআন ও সহিহ সুন্নাহ এবং ঐতিহাসিকভাবে সকলের নিকট গ্রহণীয়। তাছাড়া মুসলিম উম্মাহ এমতের স...
একাদশ অধ্যায়: বাংলা বিভাগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
একাদশ অধ্যায়: বাংলা বিভাগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
গত একশ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ বঙ্গীয় জনগোষ্ঠীর মানোন্নয়ন এবং জাতীয় সংস্কৃতি-রাজনীতি নির্মাণে প্রভূত অবদান রেখেছে। মোটা দাগে তিন ধারায় সে অবদানকে চিহ্নিত করা যায...
তৃতীয় অধ্যায়: লোকসাহিত্যচর্চা
তৃতীয় অধ্যায়: লোকসাহিত্যচর্চা
উপনিবেশ-বিরোধী চেতনা থেকে জাগ্রত স্বদেশপ্রেম, আত্মমর্যাদাবোধ, ঐতিহ্য অনুসন্ধান ও সংরক্ষণ করার তীব্র আকুলতা থেকেই বাংলাভাষায় লোকসাহিত্য-চর্চার সূত্রপাত ঘটে। শতাধিক বছরের ব্রিটিশ শা...

